বানিয়াচংয়ে অবৈধ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ব্যবসায়ীরা আতংকিত-
উপজেলা পরিষদের মালিকানাধীন দোকান লিজ নিয়ে অবৈধভাবে সাবলিজ প্রদান।
বানিয়াচং প্রতিনিধি ॥ বানিয়াচং উপজেলা পরিষদের মালিকানাধীন বড়বাজারে ৩টি দোকান ঘর লিজ নিয়ে অবৈধ সাবলিজ দিয়েছে ডেকোরেটার্স ব্যবসায়ী আহাদ মিয়া। অবৈধ সাবলিজকারী তৈয়ব মিয়া তার লিজকৃত দোকানে গ্যাস ঝালাইয়ের ব্যবসা দেয়। ওই ব্যবসায় সে অপরিপক্ষ হওয়ায় তার দোকানে গ্যাস সিলিন্ডার ভিস্ফোরণ হয়েছে। ফলে আশপাশের ব্যবসায়ীরা রয়েছেন চরম আতংকে।
জানা যায়,বানিয়াচং উপজেলা পরিষদের মালিকানাধীন বড়বাজারে স্মৃতিসৌধের নিকটে ৩ টি দোকান ঘর রয়েছে। ওই দোকান ঘর গুলোর আয় উপজেলা মসজিদে দেওয়া হয়। গেল ১ বছর পূর্বে ডেকোরেটার্স ব্যবসায়ী আহাদ মিয়া দোকান গুলি লিজ নেয়। পরে সে একটি দোকান নিজে ব্যবহার করে অন্য ২টি দোকান সাবলিজ দিয়ে দেয়। যা লিজের আইন পরিপন্থি। একটি দোকানে তৈয়ব মিয়া গ্যাস ঝালাইয়ের ব্যবসা দেয়। এলাকাবাসী জানান ওই ব্যবসায় সে পরিপক্ষ নয়। কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে কোন অনুমোদনও নেইনি। তাই যে কোন সময় দুর্ঘটনার আশংকা ছিল। গতকাল শনিবার সন্ধ্যার পূর্বে তৈয়বের দোকানের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে। এসময় আতংকে মানুষজন দিকবেদিক ছুটাছুটি করেন। এ ব্যাপারে বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্বন্দ্বীপ কুমার সিংহ জানান,উপজেলা মসজিদের অন্য কোন আয় না থাকায় দোকান গুলির ভাড়া মসজিদ কমিটির লোকজন গ্রহণ করেন। অবৈধভাবে সাবলিজ কিংবা গ্যাস ঝালাইয়ের ব্যবসা বিষয়টি আমার জানা নাই। তবে যদি এরকম হয় তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উল্লেখ্য প্রায় দেড় বছর আগে মাওলানা হেলাল নামের একজন জাবেদ ঠাকুরের নিকট থেকে সাবলিজ নিয়ে গ্যাস ঝালাইয়ের কাজ শুরু করে। তার গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নন্দীপাড়া গ্রামের ময়না মিয়ার পুত্র ড্রাইভার রোমন মিয়া গুরুতর আহত হয়। পরে সাবেক ইউএনও সামছুল ইসলাম সাবলিজকারী মাওলানা এহিয়াকে দোকান থেকে বিতারিত করেন।

-