হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বোর্ডের পরিচালক মিজান চকদারের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মাম-
স্টাফ রিপোর্টার ॥ হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বোর্ডের ৬নং এলাকা পরিচালক মিজান চকদারের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার বিবরণে জানা যায়, মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের শাহপুর গ্রামের মৃত ছবুর হোসেনের পুত্র মোঃ হাফিজ উল্লার বাড়িতে ২টি মিটারে বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়ার জন্য একই উপজেলার বাসিন্দা বেঙ্গাডোবা গ্রামের মৃত মস্তুফা আলী চকদারের পুত্র হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বোর্ডের ৬নং এলাকা মাধবপুর উপজেলার পরিচালক মিজান চকদারের কাছে সহযোগিতা কামনা করেন। মিজান চকদার ২টি মিটারে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের জন্য উৎকোচ দাবি করলে হাফিজ উল্লা সম্প্রতি মিজান চকদারকে দশ হাজার টাকা প্রদান করেন। টাকা দেওয়ার পর মাসখানেক সময় অতিাবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত হপবিস গ্রাহক হাফিজ উল্লার বাড়িতে মিটার দেয়া হয়নি। ঘটনাটি হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মোঃ ছোলায়মান ও নোয়াপাড়া জোনাল অফিসের ডিজিএমকে অবগত করলে তারা বলেন বিদ্যুৎ মিটার নিতে কোন ঘুষ লাগে না। একথা শুনার পর গ্রাহক হাফিজ উল্লা মোবাইল ফোনে পরিচালক মিজান চকদারের সাথে যোগাযোগ করে ঘুষের টাকা ফেরত চান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন মিজান চকদার। গত ২৭ আগস্ট বিকেলে মিজান চকদারের সহযোগী একই উপজেলার এক্তিয়ারপুর গ্রামের মৃত আলতাব আলীর পুত্র বাচ্চু মিয়া বেঙ্গেডোবা মসজিদের কাছে রাস্তায় একা পেয়ে হাফিজ উল্লার উপর আক্রমণ করে। এসময় তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হাফিজ উল্লা রক্ষা পান। পরদিন হাফিজ উল্লার মেয়ের বাড়িতে গিয়ে মিজান চকদার ও বাচ্চু মিয়া হুমকি দিয়ে বলেন- ‘তোর পিতা ও পরিবারের সকলকে অপহরণ করে ঘুম হত্যা এবং পরিবারের সদস্যদেরকে মারধোর করা হবে।’ তার হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করে হাফিজ উল্লা গত ২৯ আগস্ট হবিগঞ্জের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মিজান চকদার ও তার সহযোগী বাচ্চু মিয়ার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এছাড়া গত ১১ সেপ্টেম্বর তিনি বিষয়টি পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যানকে অবহিত করেন।
হাফিজ উল্লা অভিযোগে জানান, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বোর্ডের ৬নং এলাকা পরিচালক মিজান চকদার পেশাগতভাবে সাবরেজিস্ট্রি অফিসের ডিটরাইটার।

-
প্রথম পাতা