সকল বেসরকারি স্কুল কলেজ ও মাদরাসা জাতীয়করণের দাবিতে নবীগঞ্জে শিক্ষক কর্মচারিদের মানববন্ধন ও স-
সকল বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদরাসা জাতীয়করণের দাবিতে নবীগঞ্জের শিক্ষক কর্মচারিগণ মানববন্ধন ও প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন। গতকাল বুধবার দুপুরে নবীগঞ্জ উপজেলা নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার স্মারকলিপিটি তুলে দেন তারা। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্কুল, কলেজ, মাদরাসার শিক্ষক কর্মকর্তা ও কর্মচারিবৃন্দের পক্ষ থেকে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়- হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিলো। সারাদেশে প্রায় ৩৭ হাজার বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করেছিলেন তিনি। তাঁরই যোগ্য উত্তরসুরি গণতন্ত্রের মানসকন্যা ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের রূপকার হিসেবে প্রধানমন্ত্রী ২০১৩ সালে প্রায় ২৬ হাজার রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করেছেন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন উন্নয়নের পাশাপাশি এই সরকারের আমলে সময়ে সময়ে বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদরাসা সরকারিকরণ করা হচ্ছে। এই দেশের শিক্ষা ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের অবদান অনেক অনেক বেশি এবং অনস্বীকার্য। জাতি বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিরকৃতজ্ঞ। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে তারা বলেন- বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্কুল, কলেজ ও মাদরাসা হতে আয়কৃত সমুদয় অর্থ যদি সরকারি কোষাগারে জমা পড়ে তবে ঐ প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারিকরণের ফলে সরকারের কোষাগার হতে খুব বেশি অর্থ যোগান দিতে হয় না। পাশাপাশি ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে চলে যায়। সারা দেশে প্রায় ৫ লাখ শিক্ষক কর্মচারির সামাজিক এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটে এবং মনোবল চাঙা হয়। অতএব, উপরোক্ত বিষয়গুলো বিশেষভাবে ও অন্যান্য দিক বিবেচনা পূর্বক বাংলাদেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্কুল, কলেজ ও মাদরাসা সরকারিকরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান তারা।
বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারি ফোরাম নবীগঞ্জ উপজেলা শাখার আহ্বায়ক অধ্যক্ষ ড. সঞ্জিত সেন রায়ের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যক্ষ আফজল হোসেন তালুকদারের পরিচালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন উপাধ্যক্ষ মোঃ আলী আক্কাছ মোল্লা, অধ্যক্ষ মোঃ লুৎফুর রহমান, উপাধ্যক্ষ মোঃ নুরুল আমীন, সুপার আব্দুর নূর, প্রধান শিক্ষক এটিএম বশির আহমদ, প্রধান শিক্ষক প্রদিপ রঞ্জন দাশ, প্রধান শিক্ষক রবিন্দ্র নারায়ন উকিল, সহকারী অধ্যাপক জয়নার আবেদিন খাঁন, শাহিনা আক্তার, মোস্তাহিদ আহমদ, সহকারী শিক্ষক মাওঃ মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ আতিকী, মহসিনুর রহমান, মহসিন আলী, মাস্টার আব্দুল মান্নান প্রমূখ। মানববন্ধনে নবীগঞ্জ উপজেলার ৩ শতাধিক শিক্ষক-কর্মচারি উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রধান শিক্ষক মোঃ বদরুল আলম, মোঃ তোফাজ্জুল হক, মোঃ কামাল উদ্দিন, সুপার মাওঃ সাজ্জাদুর রহমান, মাওঃ আব্দুস ছালাম, এবিএম মখলিছুর রহমান, সহকারী অধ্যাপক মোঃ আলতাফ উদ্দিন, ইকবাল বাহার তালুকদার, প্রধান শিক্ষক মোঃ পিয়ার আলী, বিমল কান্তি দেব, রিয়াজুল করিম চৌধুরী, সহকারী অধ্যাপক এ.জে.এম মিসবাহ উদ্দিন, সহকারী অধ্যাপক শামসুল ইসলাম, সহ-প্রধান শিক্ষক ছালেহ আহমদ, আবুল কাশেম চৌধুরী, গিয়াস উদ্দিন, সহ সুপার ইদ্রিস আলী, আব্দুল বারী, আব্দুল মালিক, রেদুয়ানুর রহমান, মোঃ আব্দুস শহিদ, জাফরান আহমদ, নুরুল ইসলাম, প্রভাষক জসিম উদ্দিন, ইউনুছ আলী, মিজানুর রহমান, নজরুল ইসলাম, আনছারুল ইসলাম, রাদিকা রঞ্জন পুরকায়স্থ, শাহিনুর রহমান, আবু ইউসুফ, আইয়ুব খাঁন, বাবুল কুমার ধর, কুহিনুর আক্তার, নাসিমা আক্তার, আজগর আলী, ইসলাম হোসেন, প্রভাষক আলী আকবর, ফয়জুর রহমান, বেল্লাল হোসেন, মাওঃ মোঃ মহি উদ্দিন, ফজলুল হক, প্রতিমা রানী বনিক, সমর বিশ্বাস, মোঃ ইব্রাহিম ইউসুফ, মোঃ জিল্লুর রহমান, শাহিনুর রহমান, নুরে আলম আনসারী, নিজাম উদ্দিন তালুকদার, সোহেল মিয়া, সেলিম তালুকদার, হাবিবুর রহমান, হোসাইন আহমদ মওজুদী, শামসুল হক, মাহমুদুর রহমান, মুশিউর রহমান, সমির দাশ, পিনাক্ষী দেব নাথ, সুবর্না সরকার, সেলিম উদ্দিন, কাওসার আহমদ, মিছবাহ উদ্দিন, সাব্বির আহমদ চৌধুরী, আল- আমীন, সেলিম আমহদ, মুজিবুর রহমান, বদরুর রেজা, সালিক উদ্দিন, ক্বারী আব্দুল কাদির, নুরুল আলম, নানু চন্দ্র দাশ, মোবারক, আব্দুর নূর, নুরুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, সৈয়দা মেহজাবিন আক্তার, সোহেল মিয়া, রতন মনি দাশ, একে জাহাঙ্গীর, রোকন মিয়া, শেখ রওশন আলী, মন্নম রায়, আব্দুর রহিম, আজিজুর হক, আলী নূর, দুরুদ মিয়া, নূর মোহাম্মদ, মোতাহেরা, রুহুল আমীন, শাহ্ জালাল, ওবাইদুর রহমান, মুফিজুল ইসলাম, টিপু হোসেন, হাসি রানী বনিক, সত্য চন্দ্র দেব, হরিপদ দেব, আনোয়ার হোসেন, আশরাফুল আলম, ইমরান হোসেন, শাহ্ আলম, শেখ ওলী উল্লাহ, কানু মনি সরকার, সুজন চন্দ্র দেব, মাহাবুব আলম, আবুল কাশেম, আব্দুল তাজ, আমিনুল ইসলাম, দিলিপ চন্দ্র সরকার।

-