বানিয়াচংয়ে এক ইউপি মেম্বারের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রকে বলৎকারের চেষ্টার অভিযোগ-
স্টাফ রিপোর্টার, বানিয়াচং থেকে ॥ বানিয়াচংয়ে চতুর্থ শ্রেণির এক শিশুকে বলৎকার করার চেষ্টা করেছেন ইউপি সদস্য জয়নাল আবেদীন বিলাল। গত শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে তোপখানা মহল্লার এক ব্যক্তির বাঁশঝাড়ে নিয়ে শিশুকে বলৎকারের চেষ্টা চালান বিলাল। ওই শিশু তোপখানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র। এ ঘটনায় শিশুর বাবা দোকানটুলা মহল্লার আমির আলী গতকাল মঙ্গলবার বানিয়াচং থানায় বিলালের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, উঠতী বয়সী ছেলেদেরকে যৌন হয়রানি করা বিলালের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। ২০১২ সালে তোপখানা এলাকার আরেক শিশুকে বলৎকার করেছিলেন। ওই মামলায় বিলাল ৬ মাস জেল খেটেছেন।
অভিযোগে বলা হয়, পাশের বাড়ির আমির আলীর শিশু ছেলেকে সুযোগ পেলেই চকলেট ও বিস্কুটসহ লোভনীয় খাবার দিয়ে আপত্তিকর কাজে লিপ্ত হওয়ার প্রস্তাব দেয় বিলাল। শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে ওই শিশু বাড়ির পাশের দোকান ঘরে যায়। দোকান থেকে জিনিস কিনে ফেরার পথে শিশুকে ফুসলিয়ে পাশের বাঁশঝাড়ে নেয় বিলাল। আপত্তিকর কাজে লিপ্ত হওয়ার উদ্দেশ্যে শিশুর প্যান্ট খোলার চেষ্টা করে। শিশুটির হাত টেনে নিয়ে বিলাল নিজের লজ্জাস্থান বুলিয়ে দেয়ার কথা বলে। শিশুটি চিৎকার করলে চড়-থাপ্পর মারে। ওই শিশু ঘরে এসে অভিভাবকদের ঘটনাটি জানালে অভিভাবকরা স্থানীয় সর্দারসহ পঞ্চায়েত ব্যক্তিদের নিকট ঘটনার কথা জানান। বিষয়টি সালিশ বিচারের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হন মুরুব্বিয়ান। পরে শিশুর অভিভাবককে আইনের আশ্রয় নেয়ার পরামর্শ দেন মুরুব্বিরা। 
এ প্রসঙ্গে ইউপি সদস্য জয়নাল আবেদীন বিলালের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগটি মিথ্যা। তিনি বলেন, ওই শিশু মসজিদের দান বাক্সের টাকা, মসজিদের মোয়াজ্জিন ও আমার কবুতর চুরি করেছে। স্থানীয় মেম্বার হিসেবে এটির বিচার করতে গেলে একটি কুচক্রি মহলের ইন্ধনে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।
-