জহুর চান বিবি মহিলা কলেজে অধ্যক্ষ বদলের ঘটনায় গুঞ্জন সংক্রান্ত সংবাদ ॥খোয়াই পত্রিকার বান্ডেল গ-
জুয়েল চৌধুরী ॥ শায়েস্তাগঞ্জে জহুর চান বিবি মহিলা কলেজে একের পর এক অধ্যক্ষের পালা বদলে জনমনে গুঞ্জন শুরু সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের পর দৈনিক খোয়াই পত্রিকার বান্ডেল গায়েব হয়েছে। গতকাল সকালে হবিগঞ্জ থেকে শায়েস্তাগঞ্জে নিয়ে যাওয়া হকারদের কাছ থেকে কে বা কারা সকল পত্রিকা ক্রয় করে গায়েব করে ফেলে।
দৈনিক খোয়াই’র সার্কুলেশন ম্যানেজার সাইফুল ইসলাম জানান, অন্যান্য দিনের তুলনায় তিনি শায়েস্তাগঞ্জের গ্রাহকদের হাতে পত্রিকা পৌঁছে দিতে তিন হকারকে পত্রিকা দেন। কিন্তু দুপুর পর্যন্ত পত্রিকা না পেয়ে কয়েকজন তাকে ফোন করেন। পরবর্তীতে হকারদের কাছ থেকে জানা যায়, একজন ব্যক্তি তাদের নিকট থেকে সকল পত্রিকা ক্রয় করে নিয়ে যায়।
সংবাদে  উল্লেখ করা হয়, গত শনিবার সভার মাধ্যমে সর্বশেষ অধ্যক্ষ মোঃ কামরুল হাসান স্বেচ্ছায় চাকরি থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন। তিনি প্রায় দেড় মাস পূর্বে এ কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন। কম সময়ে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়ে তিনি অধ্যক্ষের পদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন বলে সূত্র জানিয়েছে। তার পূর্বে প্রায় আরো ৮ জন অধ্যক্ষ এ কলেজে দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ছিলেন জালাল উদ্দিন রুমিসহ আরও কয়েকজন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে ঘন ঘন অধ্যক্ষ বদল হওয়ায় শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে অনেকে বলেন, বিশিষ্ট দানবীর বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আব্দুল কবিরের অর্থায়নে গড়ে উঠা এ কলেজ প্রতিষ্ঠা হওয়ায় নারী শিক্ষার্থীদের জন্য বিরাট উপকার হয়েছে। এখানে ঘন ঘন অধ্যক্ষ বদলে স্থানীয়দের মাঝে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সূত্র জানায়- সদ্য বিদায়ী অধ্যক্ষ মোঃ কামরুল হাসানের বিরুদ্ধে দুইটি ধর্ষণ মামলার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে কলেজের টাকা আত্মসাতের অভিযোগও উঠেছে। বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন শামীমা আক্তার নামে এক শিক্ষিকা। তবে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জালাল উদ্দিন রুমীকে প্রভাষকের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে সদ্য বিদায়ী অধ্যক্ষ মোঃ কামরুল হাসান বলেন, ‘আমি সিরাজগঞ্জ জেলার একটি কলেজের অধ্যক্ষ ছিলাম। সেখান থেকে আমাকে এ কলেজে আনা হয়েছে। দেড় মাস চাকরি করার পর আমাকে বেতন না দিয়ে উল্টো দুষারোপ করে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।
-